ক্রিকেটের মাঠ থেকে ডিজিটাল দুনিয়া পর্যন্ত — Wicket 17-এর পুরো যাত্রাটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য, তাদের ভাষায়, তাদের পেমেন্ট মাধ্যমে।
২০২২ সালের কথা। একটি ছোট দল — যারা নিজেরাই ক্রিকেটপ্রেমী এবং অনলাইন বেটিংয়ের নিয়মিত ব্যবহারকারী ছিলেন — একটা সমস্যা বারবার অনুভব করছিলেন। বাজারে যে প্ল্যাটফর্মগুলো ছিল সেগুলো বাংলাদেশের জন্য সত্যিকার অর্থে তৈরি ছিল না। ইংরেজি ইন্টারফেস, বিকাশ বা নগদের সাপোর্ট নেই, ক্রিকেট মার্কেট সীমিত এবং সাপোর্টে বাংলায় কথা বলার কোনো উপায় নেই। এই অভিজ্ঞতা থেকেই জন্ম নেয় Wicket 17-এর ধারণা।
নামটা কোথা থেকে এলো? "Wicket" — ক্রিকেটের সবচেয়ে পরিচিত শব্দগুলোর একটি। বাংলাদেশে ক্রিকেট শুধু একটি খেলা নয়, এটা জাতীয় পরিচয়ের অংশ। আর "17" — দলে ১১ জন থাকলেও সাপোর্ট স্টাফ, ব্যাকআপ খেলোয়াড়সহ একটি সম্পূর্ণ দল হয় অনেক বড়। ১৭ মানে পুরো পরিবার। Wicket 17 মানে শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের একটা পরিবার।
প্রথম দিন থেকেই তিনটি বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল — বাংলা ভাষা, মোবাইল পেমেন্ট এবং ক্রিকেট মার্কেটের গভীরতা। বাংলায় পুরো ইন্টারফেস তৈরি করা সহজ ছিল না, কিন্তু দলটি বিশ্বাস করত যে একজন ময়মনসিংহের ব্যবহারকারী যিনি ইংরেজি পড়তে পারেন না তিনিও যেন সহজে সব করতে পারেন। বিকাশ ও নগদের সাথে রিয়েল-টাইম ইন্টিগ্রেশনও সেই কারণেই।
Wicket 17 শুধু আরেকটি বেটিং সাইট নয়। এটি বাংলাদেশের ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে শুরু থেকে ডিজাইন করা একটি পরিষেবা। বিকাশে ৩০ সেকেন্ডের ডিপোজিট, সম্পূর্ণ বাংলা সাপোর্ট এবং ক্রিকেটে ২০০+ বেটিং মার্কেট — এই তিনটি জিনিস বাজারে একসাথে পাওয়া কঠিন।
২০২৩ সালে মোবাইল অ্যাপ আসার পর থেকে Wicket 17-এর বৃদ্ধি অনেক দ্রুত হয়। মাত্র ২২ মেগাবাইটের অ্যাপটি পুরনো Android ফোনেও চলে — ঢাকার বাইরে যেখানে ৩G নেটওয়ার্ক এখনও সাধারণ, সেখানেও ব্যবহারযোগ্য। ১ কোটিরও বেশি মানুষ যে বাংলাদেশে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন কিন্তু সীমিত ইন্টারনেট গতি পান — তাদের কথা না ভেবে প্ল্যাটফর্ম তৈরি করলে আসলে বেশিরভাগ মানুষকে বাদ দেওয়া হয়।
Wicket 17-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো স্বচ্ছতা। লুকানো ফি নেই — ডিপোজিট বা উইথড্রে যা দেখানো হয় তাই কাটা হয়। বোনাসের শর্তাবলী বাংলায় লেখা থাকে যাতে ভুল বোঝাবুঝি না হয়। KYC কেন দরকার সেটাও ব্যাখ্যা করা হয় — এটা কোনো জটিলতা নয়, বরং আপনার অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা।
দায়িত্বশীল গেমিং বিষয়টাও Wicket 17-এর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। প্ল্যাটফর্মে দৈনিক বা সাপ্তাহিক ডিপোজিট সীমা নিজেই সেট করার সুবিধা আছে। গেমিং বিনোদনের জন্য — এই বার্তাটা Wicket 17 প্রতিদিন মনে করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। একটি প্ল্যাটফর্ম তখনই সত্যিকারের বিশ্বস্ত হয় যখন সে তার ব্যবহারকারীর দীর্ঘমেয়াদি ভালো চায়, শুধু তাৎক্ষণিক লাভ নয়।
Wicket 17 আন্তর্জাতিক গেমিং নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রতিটি লেনদেন SSL/TLS এনক্রিপশনে সুরক্ষিত এবং ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য তৃতীয় পক্ষকে দেওয়া হয় না। বিস্তারিত জানতে গোপনীয়তা নীতি পড়ুন।
এই ছয়টি বিষয় আমাদের প্রতিদিনের কাজের মূলে
Wicket 17-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে এই নীতিগুলো কাজ করে
অভিজ্ঞ পেশাদারদের একটি দল — প্রযুক্তি, গেমিং ও পেমেন্ট বিশেষজ্ঞরা একসাথে
আমাদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া সাধারণ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর
বাংলাদেশের ১০ লক্ষেরও বেশি খেলোয়াড়ের বিশ্বাসের প্ল্যাটফর্মে বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন। প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান।
বিকাশ বা নগদে ৳১০০ থেকে শুরু · শূন্য লেনদেন ফি · বাংলায় সাপোর্ট